সেন্টমার্টিনে কী দেখবেন ও কী করবেন
সর্বশেষ হালনাগাদ 27 অক্টোবর 2026

সেন্টমার্টিনে কী দেখবেন

সেন্টমার্টিন এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে প্রায় আট কিলোমিটার। দুই দিনে পুরোটা দেখে ফেলা যায় — জাহাজের সময়সূচি মোটামুটি সেই সময়টাই দেয়।

ছেঁড়া দ্বীপ

দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তটি জোয়ারে আলাদা হয়ে যায়, ভাটায় আবার জুড়ে যায়। পানি নেমে গেলে প্রবালের চরা পেরিয়ে হেঁটে যান — রিসেপশনে সেদিনের জোয়ার-ভাটার সময় জেনে নিন, না হলে ফিরতে হবে পানি ভেঙে। পাথরে হাঁটার উপযোগী স্যান্ডেল পরুন।

সূর্যোদয়

এর জন্যই মানুষ অ্যালার্ম দিয়ে ওঠে, আর সেটা সার্থক। পূর্ব সৈকত ডেলপাড়া থেকে কয়েক মিনিটের পথ। আমাদের সি-ভিউ রুমগুলো সেদিকেই মুখ করা — দামটা সে কারণেই।

সাইকেলে দ্বীপ ঘোরা

বাজারের কাছে সহজেই সাইকেল ভাড়া পাওয়া যায়। একটাই প্রধান রাস্তা, যানবাহন প্রায় নেই — এক সকালেই এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে আসা যায়, যেখানে ভালো লাগে সেখানে থেমে।

স্নরকেলিং

প্রবালের অবস্থা আগের চেয়ে খারাপ, তবু পশ্চিম দিকের অগভীর পানিতে এখনো দেখার মতো মাছ আছে। প্রবালের উপর দাঁড়াবেন না, ভাঙবেন না, বাড়িতে নেবেন না। বছরের সাত মাস দ্বীপ বন্ধ থাকে এ কারণেই।

রাতের বাজার

জেটির পাশে দিনের ধরা মাছ থেকে বেছে নিয়ে গ্রিল করা সি-ফুড। দরদাম করুন, এবং আগুনে দেওয়ার আগেই দাম ঠিক করে নিন।

হোটেলে খাওয়া

আমাদের রেস্তোরাঁ সি-সল্টে ভেতরে ৩০০ আসন, বাইরে সমুদ্রমুখী ৫০টি — সি-ফুড, বাংলাদেশি ও ওয়েস্টার্ন খাবার। দল নিয়ে এলে ৩০০ আসনের ফাংশন রুম আর ১০০ জনের লন ম্যারকি আছে — আমরা অনুষ্ঠানও করি।

কিছু না করা

খোলাখুলি বলা ভালো: সেন্টমার্টিন যাঁদের সবচেয়ে ভালো লাগে, তাঁরা সাধারণত সবচেয়ে কম পরিকল্পনা করেন। ছোট দ্বীপ, চমৎকার আলো, আর সময়মতো পৌঁছানোর মতো তেমন কিছু নেই।

অনুরোধ

  • রাতে সৈকতে আলো জ্বালাবেন না — এখানে কচ্ছপ ডিম পাড়ে।
  • প্লাস্টিক মূল ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়ে যান। এখানে এর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।
  • প্রবাল বা শামুক-ঝিনুকের স্মারক কিনবেন না। সেগুলো প্রবালপ্রাচীর থেকেই নেওয়া।

দ্বীপ গাইড পড়ুন, অথবা রুম বুক করুন।

বুক
প্রাপ্তবয়স্ক
শিশু
রুম
আরও