সেন্টমার্টিন কীভাবে যাবেন
সেন্টমার্টিনে যাওয়ার একমাত্র পথ সমুদ্র — কোনো বিমানবন্দর বা সেতু নেই। ক্রমটা জানা থাকলে যাত্রা সহজ, আর পুরোটা একদিনের ব্যাপার।
১. কক্সবাজার পৌঁছান
ঢাকা থেকে বিমানে এক ঘণ্টা, অথবা রাতের বাসে প্রায় দশ ঘণ্টা। বাস সন্ধ্যায় ঢাকা ছেড়ে ভোরে কক্সবাজার পৌঁছায় — জাহাজের সময়ের সঙ্গে এটি ভালো মেলে, একই সকালের ফ্লাইটে সাধারণত মেলে না।
২. ট্রাভেল পাসের জন্য নিবন্ধন করুন
ট্রাভেল পাস ছাড়া জাহাজের টিকিট কেনা যায় না। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের অনুমোদিত পোর্টালে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হয়, এবং টিকিটে যে কোডটি থাকে ঘাটে তা মিলিয়ে দেখা হয়। কোড ছাড়া টিকিট গ্রহণ করা হয় না।
যাত্রার আগেই কাজটি সেরে রাখুন। দ্বীপে প্রতিদিন কতজন যেতে পারবেন তা নির্ধারিত, তাই জনপ্রিয় তারিখের পাস দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
৩. নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে জাহাজে উঠুন
সেন্টমার্টিনের জাহাজ ছাড়ে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে। এ মৌসুমে টেকনাফ রুটে জাহাজ চলছে না।
জাহাজ সকালে ছাড়ে, আর সঠিক সময় জোয়ার-ভাটার সঙ্গে বদলায় — তাই আগের সপ্তাহের সময়সূচিতে ভরসা না করে আগের দিন জেনে নিন। পার হতে প্রায় তিন ঘণ্টা লাগে। ফেরার জাহাজ দ্বীপ ছাড়ে বিকেলে।
৪. ডেলপাড়ায় পৌঁছান
ফ্যান্টাসি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ডেলপাড়ায়, জেটি থেকে প্রায় দশ মিনিট। হেঁটে যাওয়া সহজ, মালপত্র থাকলে ভ্যান নিতে পারেন। বুকিংয়ে জেটি পোর্টার যোগ করলে আমরা জাহাজ থেকেই আপনাকে নিয়ে আসব।
সঙ্গে যা রাখবেন
- এনআইডি বা পাসপোর্ট — প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেকের লাগবে, ঘাটে এবং চেক-ইনে
- ট্রাভেল পাস ও জাহাজের টিকিট
- নগদ টাকা। দ্বীপে কার্ডের নেটওয়ার্ক প্রায়ই থাকে না, বেশিরভাগ জায়গায় নগদই চলে
- প্রবাল পাথরে হাঁটার উপযোগী স্যান্ডেল
ফেরার কথা
জাহাজ দ্বীপ ছাড়ে বিকেলে, এবং বেশিরভাগ রুটে দিনে একটিই। চেক-আউট সকাল ১১টায়, জাহাজ ছাড়া পর্যন্ত আমরা আপনার ব্যাগ রেখে দেব। একই সন্ধ্যায় কক্সবাজার থেকে ফ্লাইট রাখবেন না — সমুদ্র উত্তাল হলে জাহাজ চলে না।
আমাদের রুম ও ভাড়া দেখুন, অথবা বুক করার আগে যেকোনো প্রশ্ন করুন।